Header Image

রং তুলিতে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করলো রাজশাহীর শিশুরা



রং তুলিতে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করলো রাজশাহীর শিশুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : রং তুলিতে শহীদ জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করেছে শিশুরা। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অনেকেই এঁকে ছিল জেল হত্যা ও জাতীয় চার নেতার ছবি। শুক্রবার বিকেলে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদ জাতীয় চার নেতার স্মরণে এ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে রাজশাহী থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা ‘পদ্মাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম’।
রাজশাহী নগরের কাদিরগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত শহীদ নজমুল হক উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের হল রুমে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা অংশ নেন পৌনে দুইশত শিশু চিত্র শিল্পি। বিকেল ৩টায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পদ্মাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এর প্রকাশক ও সিইও আজিজুল আলম বেন্টু।প্রতিযোগিতা শেষে চারটি শাখার ১২ জন বিজয়ীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও প্রত্যেক অংশগ্রহনকারি শিশুদের সনদপত্র ও একটি করে কলম উপহার দেয়া হয়।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও মহানগরের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। পদ্মাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এর প্রকাশক ও সিইও আজিজুল আলম বেন্টু আজিজুল আলম বেন্টুর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহানগন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহাদত হোসেন, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি রবিউল আলম বাবু, মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল মমিন, পদ্মাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক বদরুল হাসান লিটন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহেদ খান টিটু প্রমূখ।এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় চার নেতা সম্পর্কে জানতে হবে। নিজের মুক্তিযুদের চেতনায় গড়ে তোলতো হবে।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। তাতে জাতীয় চারনেতার সন্তানরাও ভূমিকা রাখছেন। যদি বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা আর কয়েকটি বছর বেঁচে থাকতেন, তা হলে দেশটিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতো। পরবর্তী জেনারেশন হাল ধরলে দেশটি উন্নত দেশে পরিণত হতো।
খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, কিন্তু মাঝখানে ১৯৭৫ থেকে ৯৬ পর্যন্ত ২১ বছর উন্নয়নের নামে তামাশা বা প্রহসনের করেছে তখনকার সরকারগুলো, দেশবাসীকে নিয়ে তামাশা করেছে, রাজনীতিকে নষ্ট করে দিয়েছে। তারা বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে ২১টি বছর দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। এটি অফেরতযোগ্য। এ কারণে জাতি চিরকাল এই খুনিদের মীর জাফর হিসেবে চিহ্নিত করবে, ঘৃণা করবে এবং এই দিনটিকে কালো দিবস হিসেবে পালন করবে।লিটন বলেন, শুধু আমাদের পরিবার নয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যারা হত্যাকারী, তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। সেসব দেশের প্রচলিত আইনের সদব্যবহার করেছে তারা। তাদেরকে যাতে ফেরত না পাঠায় সেই ব্যবস্থা করেছে। বঙ্গবন্ধুর খুনি কয়েকজন যেমন কানাডায় আছেন, তাদের মধ্যে আবার জাতীয় চারনেতার হত্যাকারীরাও আছে। আমাদের সবারই দাবি বিচার হয়েছে, বিচারের রায় আংশিক কার্যকরও হয়ে গেছে। যারা এখনও আইনের ফাঁক-ফোকর গলিয়ে পালিয়ে আছে, তাদেরকে ফেরত এনে এটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে। সেই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার, সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথেষ্ট আন্তরিক। তারা কাজ করছে। কূটনৈতিক চ্যানেলে যোগাযোগ করে তাদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হয়তো একটু সময় লাগছে। কিন্তু এটি হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, পদ্মাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এর প্রধান চিত্রগ্রহক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার সমন্বয়ক গুলবার আলী জুয়েল।
চারটি শাখায় শিশু শ্রেণী থেকে ১০ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। নির্ধারিত বিষয়ের উপর তাদের ছবি আঁকেন। এর মধ্যে শিশু শ্রেণী থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত ‘উন্মুক্ত’, চতুর্থ শ্রেণী থেকে ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত ‘মুক্তিযুদ্ধ’, সপ্তম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত রাজশাহীতে অবস্থিত ‘শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান স্মৃতিস্তম্ভ, স্মৃতি অম্লান ও সাবাস বাংলাদেশ’ এর যে কোন একটি এবং নবম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ‘শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান অথবা জেল হত্যা’
Share:

No comments:

Post a Comment

আপনি সড়গাছীর সকল কিছু মেনে নিয়েছেন।

সাধারণ কিছু কথা।

সড়গাছী গ্রাম সম্পর্কে যদি কোন মতবাদ/অভিমত থাকে তাহলে ডান পাশে Contact Us এর নিচে আপনার মূল্যবান মতবাদ/অভিমত প্রকাশ করুন।

সড়গাছী গ্রামের পক্ষথেকে সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Contact Us

Name

Email *

Message *

রক্তের প্রয়োজনে।